এক পা এক পা করে ভারসাম্য রাখুন, ডাইনোসরকে আরও দূরে নিয়ে যান!
ডাইনো স্টেপ একটি ভারসাম্যের গেম। দুই পায়ে হাঁটা ডাইনোসরটিকে পড়ে যেতে না দিয়ে যতটা সম্ভব দূরে নিয়ে যেতে হবে। স্ক্রিনের নিচের দুই পাশের তিরচিহ্ন ব্যবহার করুন, ডাইনোসরের ভঙ্গি দেখুন আর বুঝেশুনে পরের পা ফেলুন।
বিশাল ডাইনোসরের পক্ষেও দুই পায়ে দাঁড়িয়ে হাঁটা সহজ নয়। জোর কদমে এগোনোর পরই হঠাৎ টলতে পারে, তাই বোতামের ছোট্ট একটি চাপও পরের পদক্ষেপের ফল বদলে দেয়।
দ্রুত চাপার আগে ভঙ্গি দেখে সিদ্ধান্ত নিন
দূরত্বের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আরও দ্রুত বোতাম চাপতে ইচ্ছে হতে পারে। কিন্তু হাঁটা চালিয়ে যেতে হলে ডাইনোসরের শরীর এখন কোন অবস্থায় আছে, সেটাও খেয়াল করতে হবে।
একই ক্রমে বোতাম চাপলেই সব সময় স্থিরভাবে হাঁটা যাবে না। প্রতিটি নড়াচড়ার ফল দেখে পরের বোতাম ঠিক করুন, আর পড়ে যাওয়ার আগেই ভারসাম্যের পরিবর্তন ধরার চেষ্টা করুন।
যেভাবে খেলবেন
- শুরুর স্ক্রিনের প্লে বোতাম চাপুন। ডাইনোসর, নিচের বাঁ ও ডান তিরচিহ্ন এবং ওপরের দূরত্বের হিসাব দেখে নিন।
- দুই পাশের তিরচিহ্ন দিয়ে ডাইনোসরের পা ফেলা নিয়ন্ত্রণ করুন। বোতাম চাপার পর শরীর ও পায়ের অবস্থান কীভাবে বদলায়, খেয়াল করুন।
- এখন কোন দিকে হেলছে আর কীভাবে নড়ছে, তা দেখে পরের বোতাম বেছে নিন। না দেখে একই ক্রমে চাপতে থাকা নয়, ডাইনোসরের ভারসাম্য ধরে রাখাই লক্ষ্য।
- ওপরের দূরত্বের হিসাব দেখতে দেখতে এক পা করে এগিয়ে যান। লক্ষ্যের চিহ্নের সঙ্গে নিজের অবস্থান মিলিয়ে নিন, তবে ডাইনোসরের ভঙ্গি থেকে চোখ সরাবেন না।
- ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে গেলে কতটা দূর এলেন, দেখে নিন। পড়ার ঠিক আগে কোন বোতাম চেপেছিলেন আর শরীর কোন দিকে হেলেছিল, মনে করার চেষ্টা করুন।
- পরের চেষ্টায় বোতাম চাপার বিরতি বা ক্রম একটু বদলান। আগে কয়েকটি স্থির পদক্ষেপ আয়ত্ত করুন, তারপর আগের রেকর্ডের চেয়ে দূরে যাওয়ার লক্ষ্য নিন।
শরীরের নড়াচড়াই সবচেয়ে বড় ইঙ্গিত
ডাইনোসরের মাথা, ধড় আর পা একসঙ্গে দেখলে ভঙ্গির পরিবর্তন সহজে ধরা যায়। শুধু পায়ের দিকে না তাকিয়ে পুরো শরীর কোন দিকে হেলছে, সেটাও দেখুন।
বোতাম চাপার মুহূর্ত আর তার ফলে হওয়া নড়াচড়া আলাদা করে খেয়াল করুন। একবার চাপার পর পরিবর্তন বুঝে পরের সিদ্ধান্ত নিলে ধীরে ধীরে ধরতে পারবেন কোন নিয়ন্ত্রণ আপনার ছন্দের সঙ্গে মানাচ্ছে।
অল্প দূরত্বও পরের রেকর্ডের ভিত গড়ে দেয়
শুরুতেই অনেক দূর যাওয়ার বদলে আগের চেয়ে আরও স্থিরভাবে একটি পা এগোনোর চেষ্টা করুন। ছোট্ট চেষ্টাতেও ভঙ্গি আর বোতাম চাপার সম্পর্ক শেখার সুযোগ থাকে।
যেমন, কয়েক পা ভালোভাবে হাঁটার পর হঠাৎ পড়ে গেলে সব নিয়ন্ত্রণ একসঙ্গে বদলাবেন না। আগে শেষের বোতামগুলো ভেবে দেখুন। যে অংশে ভালো চলছিল, সেটাকে ভিত্তি করে ছোট পরিবর্তন আনুন।
আরও বেশি হাঁটার টিপস
খুব দ্রুত বারবার বোতাম চাপলে কোন চাপে ভঙ্গি বদলাল, বোঝা কঠিন হতে পারে। শুরুতে এমন ছন্দে খেলুন যাতে ডাইনোসরের প্রতিক্রিয়া দেখতে পারেন।
আবার শুধু দূরত্বের দিকে তাকিয়ে পরের পদক্ষেপ ভুলে যাবেন না। ফল যাচাই করতে রেকর্ড দেখুন, আর খেলার সময় আগে ডাইনোসরের নড়াচড়ায় মন দিন।
শুধু এক পাশের বোতামের ওপর ভরসা করবেন না, বা পালা করে চাপলেই সব সময় কাজ হবে ভাববেন না। বর্তমান ভঙ্গি দেখে দুই পাশের বোতাম কীভাবে ব্যবহার করবেন, সেই সিদ্ধান্তই এই গেমের মূল চ্যালেঞ্জ।
ব্যর্থ চেষ্টাও শেখায় কোন ভঙ্গিতে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছিল। একই ভুল আবার হলে গতি বা বোতাম চাপার ছন্দের একটি দিক বদলে ফলের পার্থক্য দেখুন।
মিষ্টি এক ডাইনোসরের সঙ্গে রেকর্ড গড়ার চ্যালেঞ্জ
ডাইনোসরের মজার অভিব্যক্তি আর সবুজ পটভূমি এক পা করে হাঁটার দৃশ্যকে প্রাণবন্ত করে তোলে। জটিল পথ মুখস্থ না করেই সামনের নড়াচড়ায় মন দিয়ে ছোট ছোট চেষ্টা করতে পারবেন।
ফলাফলের স্ক্রিনে কত দূর গেছেন আর নতুন রেকর্ড হয়েছে কি না, দেখতে পাবেন। র্যাঙ্কিংয়ে অন্যদের রেকর্ড দেখে নিজের পরের লক্ষ্য ঠিক করার মজাও আছে।
ডাইনোসরটিকে পড়তে না দিয়ে আরেকটি পা ফেলতে সাহায্য করুন। এবার কতক্ষণ ভারসাম্য ধরে রাখতে পারবেন?